অনির্ধারিত

সংসার সূখের হয় রমণীর গুণে

সংসার সূখের হয় রমণীর গুণে

সংসার সূখের হয় রমণীর গুণে যদি গুণবান পতি থাকে আমারও সনে’। এই লাইনটির সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত আছি। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। একজন আর্দশ স্ত্রীর বৈশিষ্ট্য কি ? সংসারে সে কতটা সফল? স্বামীর প্রতি তার দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করছে কিনা? এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা যতটা সচেতন ,একজন আর্দশ স্বামীর বৈশিষ্ট্য কি? সংসারে তার ভূমিকা কি ? সে সফলভাবে তার ঘরে বিশেষ করে স্ত্রীর প্রতি তার দায়িত্ব পালন করছে কিনা ? এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা ততটা সচেতন নই। অথচ স্বামী-স্ত্রীর সম্মিলিত এবং কার্যকর ভূমিকাই কেবল পারে একটি সংসারকে সূখের রাজ্যে পরিনত করতে। তাই স্বামী হিসাবে আপনি আর্দশ স্বামী কিনা তা পরখ করার জন্য নিচের বৈশিষ্ঠ্যগুলোর সাথে নিজেকে মিলিয়ে দেখতে পারেন।

১) যিনি একজন আর্দশ স্বামী হবেন তিনি বিয়ের সময় এমন মেয়েকে খুজে বের করেন, যে শুধু বৌ হবে না। পরবর্তীতে মা হতে পারবে। অর্থ্যাৎ একজন মেয়ের মা হয়ে উঠার জন্য যে যে যোগ্যতার প্রয়োজন তার পছন্দের তালিকায় সেগুলোকে শীর্ষে রাখেন।

২) স্ত্রীর স্বাভাবিক প্রকৃতি ,মন মেজাজ, পছন্দ অপছন্দ বুঝে নেওয়ার চেষ্ঠা করেন। কোনটা দোষের মনে হলে তা চোখে আংগুল দিয়ে বার বার দেখিয়ে না দিয়ে পজেটিভলি তাকে সংশোধনের চেষ্ঠা করেন।

৩) সত্যিকার আদর্শ স্বামী হবেন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন,মহৎপ্রাণ,উন্নত চরিত্র ও প্রশস্ত হৃদয়ের অধিকারী,যাতে একসাথে চলতে গিয়ে কখনো কোন পাশবিক আচরণ তার দ্বারা প্রকাশিত হয়ে না পড়ে , সে ব্যাপারে তিনি থাকবেন সদা সর্তক।

৪) ক্ষেত্র বিশেষে স্ত্রীকে অপছন্দ হলেও অশোভন আচরণের মাধ্যমে তা প্রকাশ করেন না বরং তার (স্ত্রীর)মধ্যে যে ভালো গুণগুলো আছে সে গুলোকে খুজে নিতে চেষ্ঠা করেন।

৫) স্ত্রীর মধ্যে এ বিশ্বাস জাগিয়ে তুলতে সক্ষম হন যে,সে এমন এক শক্তিশালী,সহৃদয়,দয়ালু ও উদার স্বামীর রক্ষাণাবেক্ষণে আছে,যে তাকে হেফাজত করবে,তার সকল বিষয়ে গুরুত্ব দিবে এবং যাবতীয় প্রয়োজন পূরণ করবে।

৬) দাম্পত্য জীবনকে একঘেঁয়েমি ও বৈচিত্র্যহীনতায় ডুবে যেতে দেন না বরং সব সময় স্ত্রী ও সন্তান সন্ততির মাঝে সজীবতা ও আনন্দময় পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্ঠা করেন।

৭) স্ত্রীর জন্য নিজেকে সুসজ্জিত রাখার মাধ্যমে তার নারীত্বকে সন্তুষ্ট রাখার সর্বাতœক চেষ্ঠা করেন।

৮) নিজ দায়িত্ব,কাজ-কর্ম,লেখা-পড়া বা বন্ধু-বান্ধব নিয়ে ব্যস্ত থাকেন না বরং স্ত্রীর জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যয় করেন।

৯) স্ত্রীর আবেগ অনুভূতিকে সম্মানের চোখে দেখেন,তার অনুভূতিতে যাতে কখনো আঘাত না লাগে সেদিকে সর্তক দৃষ্টি রাখেন।

১০) স্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের সর্ম্পকে কোন রকম কটুকথা বলে বা বাজে মন্তব্য করে তাকে কষ্ট দেওয়ার চেষ্ঠা করেন না।

১১) স্ত্রীর শিক্ষা দীক্ষায় বা বুদ্ধি বিবেচনায় কোন ত্রুটি থাকলে তা দুর করার চেষ্ঠা করেন,সে জন্য তাকে অপমানিত করেন না।

১২) অন্যের সামনে এমন কি নিজের সন্তানের সামনেও কখনো কোন কারনে বকাঝকা অথবা স্ত্রীর দূর্বলতাকে সামনে টেনে এনে তাকে অপমানিত করেন না।

১৩) ছোট ছোট দোষ ক্রুটিকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখেন,খাবারের বা রান্নার দোষ খুজে বেড়ান না।"

 

 


আপনার মতামত দিন:

(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নন।)